জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে মানিক এভিনিউতে বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার তরুণ ও শিক্ষার্থী যানবাহনে করে এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসছেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হচ্ছে একটি ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান, যা অনেক বড় আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। মঞ্চে রয়েছে বিশাল আয়োজন, ভিআইপিদের জন্য বসার ব্যবস্থা এবং উপস্থিত দর্শকদের জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা, যেমন ওয়াশরুম ও মেডিকেল সহায়তা।
জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও সমর্থকরা বিভিন্ন জায়গা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসছেন। তারা ‘আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ, ক্ষমতা না জনতা, জনতা-জনতা’ এর মতো স্লোগান দিয়ে উৎসাহিত হচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন এবং দেশব্যাপী ৬৪ জেলা থেকে মানুষ আসবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এতে উপস্থিত থাকবেন, যা অনুষ্ঠানের গুরুত্ব এবং ব্যাপকতা বাড়িয়ে দেবে।
সকালের পর থেকেই সংসদ ভবন সংলগ্ন সড়ক ও ফুটপাতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছিল। মঞ্চের পাশে ওয়াশরুম, পুলিশ বুথ, পানির ব্যবস্থা ও নারীদের জন্য আলাদা বুথ তৈরি করা হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে মুশফিক উস সালেহীন জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার পর মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম দিকের প্রবেশপথ দিয়ে মঞ্চের সামনে প্রবেশ করা যাবে।
নতুন এই দলের নেতৃত্বের বিষয়ে জানা গেছে, নাহিদ ইসলাম আহ্বায়ক ও আখতার হোসেন সদস্য সচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এছাড়া জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সামান্তা শারমিন, আরিফুল ইসলাম আদিব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, প্রধান সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ১৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং পরে সময়ের সাথে সাথে কমিটির আকার বাড়ানো হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার ঢাকার বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এলএনডি/বিজি






