রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে এই কম্পনটি দেশজুড়ে টের পাওয়া যায়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬। তিনি এটিকে তুলনামূলক কম মাত্রার বলে উল্লেখ করেন। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর ঘোড়াশাল।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি)–এর তথ্যে ভূমিকম্পটির মাত্রা একইভাবে ৩ দশমিক ৬ ধরা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ২৬ সেকেন্ড স্থায়ী ৫ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর কেন্দ্র ছিল ঢাকা থেকে পূর্বদিকে ১৩ কিলোমিটার দূরে নরসিংদীর মাধবদী। আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি গত তিন দশকে দেশের ভেতরে উৎপত্তি হওয়া অন্যতম শক্তিশালী ভূকম্পন।
সেদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভবন ও দেয়াল ধসে বহু মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে, এ ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে।
পরের দিন শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটেও আরেকটি ভূমিকম্প ঘটে, যার উৎপত্তি নরসিংদীর পলাশ এলাকায়। ওই দিন সন্ধ্যায় কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আরও দুই দফা কম্পন অনুভূত হয়।
এদিকে বুধবার (২৬ নভেম্বর) গভীর রাতে ৩টা ২৯ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডে বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় এলাকায় ৪ দশমিক ০ মাত্রার ভূমিকম্প হয়, যার কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং টেকনাফ থেকে ১২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। এক মিনিট পর ৩টা ৩০ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে ভারতের মেঘালয়ে উৎপত্তি হওয়া ৩ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি কম্পন সিলেট অঞ্চলেও অনুভূত হয়। এটির কেন্দ্র ছিল সিলেট থেকে ২৪ কিলোমিটার উত্তরে।
এলএনডি/এমআর






