ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কর্মসূচি পালন করেছে তৌহিদি ছাত্র-জনতা।
সোমবার ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিশ্বব্যাপী গড়ে ওঠা আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি সফল করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচি পালন করে।
গাজায় ইসরাইলের চলমান গণহত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুর সোয়া ১২টায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে রাজুতে জড়ো হয়ে তারা এ কর্মসূচি পালন করে।
গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর চলমান বর্বরতার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সমাবেশ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। একইসাথে সংহতি জানিয়ে ৩০টির অধিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছে। বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরাইলের বর্বর গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা। দুপুরে তৌহিদী ছাত্র জনতার ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন।
গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর চলমান গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদে ময়মনসিংহে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে নগরীর টাউন হল মোড়ে সর্বস্তরের মানুষ অবস্থান নিয়ে এ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। হাতে প্ল্যাকার্ড, মুখে স্লোগান—”ইসরাইলি বর্বরতা বন্ধ কর”, “ফিলিস্তিনের মুক্তি চাই”—এভাবেই গর্জে ওঠে নগরবাসী।
গাজা উপত্যকার বাতাসে এখন হাহাকার ও আর্তনাদ। ইসরায়েলি বাহিনীর ছোঁড়া বোমায় উড়ছে ছিন্নভিন্ন মরদেহ। এমন চিত্রে প্রতিবাদে মুখর বিশ্ব। এরই ধারাবাহিকতায় গাজায় চালানো বর্বর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী-জনতার বিক্ষোভ করে পাবনার জনগণ। বেলা ১১টার দিকে শহরের শহীদ চত্বরে তারা বিক্ষোভ করে।






