ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে আপাতত কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না জাপান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এড়ানো এবং ইসরায়েলের বিরাগভাজন না হওয়ার কৌশল হিসেবেই দেশটি এ অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছে জাপানি দৈনিক আসাহি শিম্বুন। বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়, যদিও ওই সূত্রের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
এ মাসে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেয়। এতে গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আসাহি জানায়, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট সমাধানে দ্বিরাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হবে। তবে এতে যোগ দেবেন না জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা।
এর আগে জাপানের কিয়োডো সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দিতে বিভিন্ন দেশের ওপর কূটনৈতিক চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন নোয়েল ব্যারোট সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সমাজকে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকেশি ইওয়ায়া মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, “ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি আমরা সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যবেক্ষণ করছি।” তবে গত শুক্রবার জাতিসংঘের এক বৈঠকে জাপান ১৪২টি দেশের সঙ্গে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে ভোট দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখতেই জাপান এমন কৌশলী অবস্থান নিয়েছে।
এলএনডি/এমআর






