সামরিক ক্ষমতায় কে এগিয়ে: থাইল্যান্ড না কম্বোডিয়া?

Liberty News Desk
সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিক উত্তেজনা ঘিরে আবারও আলোচনায় এসেছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সামরিক ক্ষমতা। সামরিক শক্তি মূল্যায়নকারী সংস্থা গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের সর্বশেষ তথ্যমতে, সামরিক সক্ষমতায় কম্বোডিয়ার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে থাইল্যান্ড।

এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী বিমানবাহিনী রয়েছে থাইল্যান্ডের হাতে। দেশটির বহরে আছে ২৮টি আধুনিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, অন্যদিকে কম্বোডিয়ার ভাণ্ডারে কোনো যুদ্ধবিমানই নেই।

লন্ডনভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান IISS-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে থাইল্যান্ড সামরিক খাতে ব্যয় করেছে প্রায় ৫.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তুলনায় কম্বোডিয়ার বাজেট মাত্র ১.৩ বিলিয়ন ডলার। সদস্যসংখ্যাতেও বড় পার্থক্য রয়েছে—থাইল্যান্ডের সামরিক বাহিনীতে রয়েছে প্রায় ২.৫ লাখ সদস্য, আর কম্বোডিয়ায় এই সংখ্যা প্রায় ১.২ লাখ।

এশিয়ার অন্যতম সামরিক শক্তিধর দেশগুলোর তালিকায় আছে থাইল্যান্ড। দেশটির স্থল, বিমান ও নৌবাহিনীর রয়েছে শক্তিশালী প্রস্তুতি ও আধুনিক সরঞ্জাম।

স্থলবাহিনীর আর্টিলারি ও সাঁজোয়া ইউনিটে রয়েছে প্রায় ৪০০ ট্যাঙ্ক, ২০০ সাঁজোয়া যান এবং ২,৬০০ আর্টিলারি কামান। তুলনায় কম্বোডিয়ার হাতে আছে প্রায় ২০০ ট্যাঙ্ক ও প্রায় ৪০০ কামান।

বিমানবাহিনীেও তুলনামূলকভাবে অনেক এগিয়ে রয়েছে থাইল্যান্ড। বহরে রয়েছে ২৮টি F-16 যুদ্ধবিমান, ১১টি সুইডিশ তৈরি গ্রিপেন জেট, ও শতাধিক অন্যান্য সামরিক বিমান। বিপরীতে, কম্বোডিয়ার কাছে নেই কোনো যুদ্ধবিমান। রয়েছে গোনা কয়েকটি পরিবহন বিমান ও হেলিকপ্টার।

নৌবাহিনীর দিক থেকেও ব্যাংকক বেশ সুসংগঠিত। রয়েছে একটি ছোট বিমানবাহী জাহাজ, ৭টি ফ্রিগেট ও ৬৮টি টহল জাহাজ। কম্বোডিয়ার কাছে আছে মাত্র ১৩টি টহল জাহাজ।

সামরিক শক্তির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবদিক থেকেই থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে। সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক সমাধানই এখন সবচেয়ে প্রয়োজনীয়।

এলএনডি/এমআর

For 24/7 breaking news:
🌐 English News – www.libertynewsbd.com
🌐 বাংলা সংবাদ – bangla.libertynewsbd.com
📌 Facebook – www.facebook.com/libertynewsbd/
📌 Facebook (বাংলা) – www.facebook.com/libertynewsbangla/
📌 X (Twitter) – www.x.com/libertynewsbd
📌 Instagram – www.instagram.com/libertynewsbd
📌 YouTube – www.youtube.com/@LibertyNewsBD

TAGGED:
শেয়ার করুন