চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম–৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. এরশাদ উল্লাহ নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে সন্ত্রাসী হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার আগে বায়েজিদ বোস্তামী থানার হামজারবাগ ও ওয়াজেদিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আরও দুইজন আহত হন, তবে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেখানে সরওয়ার হোসেন বাবলা ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত বাবলা চট্টগ্রামের একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে একই এলাকার আরেক সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের বিরোধ চলে আসছিল। ছোট সাজ্জাদ বর্তমানে কারাগারে থাকলেও, তাদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গত এক বছরে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি মহল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচিত এই ধরনের ঘটনা কঠোরভাবে দমন করা।”
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ থেকে নামাজ শেষে বের হওয়ার পর হামলাকারীরা সরওয়ার বাবলার ওপর গুলি চালায়, এ সময় এরশাদ উল্লাহও গুলিবিদ্ধ হন। বাবলার মৃত্যু নিশ্চিত করতে হামলাকারীরা ধারাবাহিকভাবে গুলি চালিয়ে পরে পালিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আমিরুল ইসলাম জানান, “ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং গুলিবিদ্ধদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার মূল কারণ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পুরনো বিরোধ। সাজ্জাদ ও বাবলা দুজনই অতীতে ছাত্রশিবিরের সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে এরশাদ উল্লাহ বর্তমানে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
এলএনডি/এমআর






