জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গণহত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুনানির সময় এ তথ্য জানান প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে সকালে সাবেক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ ১৯ জন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানিকালে তাদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেওয়া হয়।
প্রসিকিউশন জানায়, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, পরিকল্পিত সহিংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
প্রধান প্রসিকিউটর বলেন, “তদন্তে এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট— অভিযুক্তরা রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে নিরীহ জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছেন।”
আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন: আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, গোলাম দস্তগীর গাজী, আমির হোসেন আমু, কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, তৌফিক-ই ইলাহী চৌধুরী, সালমান এফ রহমান, কামাল আহমেদ মজুমদার, জুনায়েদ আহমেদ পলক, সোলায়মান সেলিম, বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন এবং এনটিএমসির সাবেক ডিজি জিয়াউল আহসান।
এলএনডি/বিজি






