মৌলভীবাজারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হাজতখানা থেকে মো. মকদ্দোছ মিয়া (৩৫) নামের এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শহরের টিভি হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত পিবিআই কার্যালয়ের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
মকদ্দোছ মিয়া কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউশার ইউনিয়নের কোনাগাঁও গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, কমলগঞ্জের নন্দগ্রামে লিটন হত্যা মামলায় নাম উঠে আসার পর মকদ্দোছ স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তের স্বার্থে তাকে থানার পরিবর্তে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হাজতে রাখা হলে ভোরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠায়।
পিবিআই মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. জাফর হোসেন বলেন, “লিটন হত্যা মামলায় অন্য এক আসামির বক্তব্যে মকদ্দোছের নাম উঠে আসে। পরে সে থানায় আত্মসমর্পণ করলে তদন্তের জন্য পিবিআইতে আনা হয়। আজ ভোরে সে হাজতে আত্মহত্যা করে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট কমলগঞ্জের পতনউশার এলাকায় ধানক্ষেত থেকে লিটন নামের এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে মকদ্দোছ পলাতক ছিলেন। এ ঘটনায় শামিম নামের আরেকজনকে আগেই আটক করেছে পিবিআই। গত ১১ সেপ্টেম্বর লিটনের বাবা ছত্তার মিয়া বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এলএনডি/এমআর






