খুলনায় সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার মুখ থেঁতলানো, দুই হাত ভাঙা ও গায়ে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তার মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে।
সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জানাজা শেষে বুলুর মরদেহ গোয়ালখালী কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর একদিন আগে, রোববার রাত ৮টার দিকে রূপসা সেতুর ২ নম্বর পিলারের বেজমেন্ট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বুলুর ছোট ভাই আনিসুজ্জামান দুলু জানান, পারিবারিক বিভিন্ন জটিলতার কারণে তিনি মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। তার প্রথম স্ত্রী নিখোঁজ, দ্বিতীয় বিয়ের দাবি এবং অন্যান্য পারিবারিক চাপ থাকলেও মৃত্যুর বিষয়টি স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে না। পরিবারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
শ্যালিকা নুরুন্নাহার পারভিন বলেন, ঘটনার দিন সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর দুপুর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে তাকে শনাক্ত করেন।
বন্ধু কামরুল হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মৃত্যুকে অস্বাভাবিক বলে মনে করেছেন। অর্থকষ্ট ও পারিবারিক অশান্তির মধ্যে তিনি ভুগছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, “এটি হত্যাকাণ্ডের মতো মনে হচ্ছে, আত্মহত্যা নয়। তাই রহস্য উদঘাটনে যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন।”
নৌপুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মুহিদুল হক জানান, প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
এলএনডি/এমআর






