গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বিয়ের পর বাসর রাতেই এক নববধূ দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে নববধূর স্বামী আসিফ মিয়াসহ সাতজনকে পুলিশ আটক করেছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম।
এ ঘটনা ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার রাতে সাঘাটার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের ওসমানেরপাড়া গ্রামে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফাহাদ আল আসাদ জানান, শুক্রবার দুপুরে দুই নারী নববধূকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তিনি জানান, ভুক্তভোগীর শরীরে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাঘাটার ওসমানেরপাড়া গ্রামের আশাদুল ইসলামের ছেলে আসিফ মিয়ার সঙ্গে বুধবার (২৯ আগস্ট) গোবিন্দগঞ্জের কোচাশহর ইউনিয়নের ভাগগরীব গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। দেনমোহর ধার্য করা হয় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বিয়ের পর আসিফ নববধূকে বাড়িতে নিয়ে গেলে বৃহস্পতিবার রাতে ওই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নববধূর পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতভর স্বামী ও তার কয়েকজন বন্ধু নববধূকে নির্যাতন করে। শুক্রবার সকালে অসুস্থ অবস্থায় তাকে গোবিন্দগঞ্জে শ্বশুরবাড়িতে নেওয়া হয়। তখন তিনি পরিবারকে ঘটনাটি জানান। পরে স্থানীয়রা আসিফ ও তার সহযোগীদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বামী আসিফ ও তার ছয় সহযোগীকে থানায় আনা হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে আসিফ, মাহিদ বাবু, মানিক (১), মিশন, মানিক (২) এবং আরও দুইজন, যাদের নাম এখনো নিশ্চিত হয়নি। তারা সবাই সাঘাটার ওসমানেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
এলএনডি/এমআর






