রবিবার রাত ১০টার পর শেষ হবে ডাকসু নির্বাচনের প্রচার কার্যক্রম। তাই প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি ও তুলে ধরছেন নিজেদের কর্মপরিকল্পনা।
শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় ক্যাম্পাস কিছুটা ফাঁকা থাকলেও দিনভর হলকেন্দ্রিক প্রচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। দিনের শুরুতে হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলে প্রচারণায় অংশ নেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, অতীতের অপরাজনীতির ধারা পরিবর্তন করে সুস্থ ও ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক চর্চা প্রতিষ্ঠা করতে চান। তার ভাষায়, “ঢাবির শিক্ষার্থীকে নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়, বরং একজন মানুষ হিসেবেই মূল্যায়ন করা হবে।” নির্বাচিত হলে নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ সেল গঠনের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
এদিকে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা নারীদের ভোটকেন্দ্রে আনার চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি মেয়েরা সক্রিয়ভাবে ভোট দেবে। এ বিষয়টি নিয়ে আমরা বিশেষভাবে কাজ করছি।”
অমর একুশে হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এস এম ফরহাদ ও আবু বাকের মজুমদার। তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বিকেলে মধুর ক্যান্টিনে জরুরি ব্রিফিং করেন স্বতন্ত্র এজিএস প্রার্থী তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আচরণে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
এছাড়া ছাত্রদল বিকেলে চিফ রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়, যাতে ভোটের পরিবেশ নিয়ে বিভিন্ন উদ্বেগের কথা উল্লেখ করা হয়।
আজ রাতের পর হাতে থাকবে মাত্র একদিন সময়। এরপর আগামী মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে বহু প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচন। শিক্ষার্থীসহ সবার প্রত্যাশা, এই নির্বাচন হবে সুষ্ঠু, সুন্দর ও দৃষ্টান্তমূলক।
এলএনডি/এমআর






