গাজায় সেহরির সময় ইসরায়েলের হামলা, নিহত অন্তত ২২০

Liberty News Desk

রমজান মাসে এরকম নিঃসংশ হ’ত্যা’কা’ণ্ড বহুল সমালোচনার জন্ম দিয়েছে পৃথিবীজুরে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অফিস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা গাজা উপত্যকায় ‘বড় পরিসরে আক্রমণ’ চালাচ্ছে। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতির পর গাজায় হওয়া সবচেয়ে বড় বিমান হামলায় অন্তত ২০০ জন নিহত হয়েছে। এক শীর্ষ হামাস কর্মকর্তা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অফিস একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, সামরিক বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন হামাসের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এটি হামাসের আমাদের জিম্মিদের মুক্তি দিতে বারবার অস্বীকৃতি জানানো এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের দূত স্টিভ উইটকফ ও মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া সকল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরিণাম। ইসরায়েল এখন থেকে হামাসের বিরুদ্ধে বর্ধিত সামরিক শক্তি প্রয়োগ করবে।’

স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, গাজার কেন্দ্রে দেইর আল-বালাহতে তিনটি বাড়ি, গাজা শহরে একটি ভবন এবং খান ইউনিস ও রাফাহ-র বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। ফিলিস্তিনি সিভিল ইমার্জেন্সি সার্ভিস জানিয়েছে, গাজায় অন্তত ৩৫টি বিমান হামলা হয়েছে।

১ মার্চে প্রথম ধাপের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর থেকে মধ্যস্থতাকারীরা ভবিষ্যতের জন্য একটি উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে এবং কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

এলএনডি/ এসএইচ

শেয়ার করুন