বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু সাংবাদিক নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দালালি করেন। তিনি এই মন্তব্যটি প্রয়াত সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মরণোত্তর একুশে পদক প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় করেছেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহর মরণোত্তর একুশে পদক প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বলেছেন, “আজকালকার কিছু সাংবাদিক নিজেদের আখের গোছানোর জন্য দালালি করে।” ফখরুল আরও বলেন, “মাহফুজ উল্লাহর কিছুই ছিলো না। তার চিকিৎসার জন্য তার পরিবারকে বন্ধুদের কাছে হাত পাততে হয়েছে।”
মাহফুজ উল্লাহর কাজ স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে মাহফুজ উল্লাহ, মাহবুব উল্লাহ ও জাফরউল্লাহ ভাইদের অসাধারণ প্রচেষ্টার কারণে সব দল একত্রিত হতে পেরেছিল। তিনি বলেছিলেন, মাহফুজ উল্লাহ ছিলেন একজন গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষ, যিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন।
ফখরুল বলেন, “ফ্যাসিবাদের পরিবর্তন হয়েছে। আন্দোলনের মাধ্যমে তা পালিয়ে গেছে। ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।”
তিনি বলেন, “সবাই আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। বাংলাদেশকে আমরা নতুন করে গড়ে তুলবো। সবাই এই কথাটা বলছে। সবার এই কথায় আরো আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “অনেক বয়স হয়ে গেছে, নবীন-তরুণরা আছেন, যারা দেশকে নতুনভাবে চিন্তা করছেন। সেই চিন্তার মধ্যে কিন্তু আগের অবদানগুলো ভুলে যাওয়া উচিত নয়।”
ফখরুল মাহফুজ উল্লাহর গুণাবলী ও দেশের প্রতি তার অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মাহফুজ উল্লাহ একজন মেধাবী ও দেশপ্রেমিক ছিলেন, এবং তার বড় ভাই মাহবুব উল্লাহর মতো বাম রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন।
আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ, মাহফুজ উল্লাহর ভাই মাহবুব উল্লাহ, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক সচিব ইসামাইল জবিউল্লাহ, সাংবাদিক গোলাম মর্তুজা, চিত্রশিল্পী রোকেয়া সুলতানা, দৃকের প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লিবার্টি/বাইজিদ






