গত ১১ দিন ধরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিদেশে, বিশেষ করে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তার শারীরিক অবস্থা এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। ফলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
দলের পক্ষ থেকে স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন শনিবার জানান, খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে তিনি দীর্ঘ ফ্লাইট সহ্য করার মতো শারীরিক সক্ষম অবস্থায় আছেন কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় বিবেচ্য বিষয়।
এদিকে খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান শুক্রবার দেশে এসে নিয়মিত তার খোঁজখবর নিচ্ছেন। একই সঙ্গে লন্ডন থেকেও চিকিৎসার তথ্য জানছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে কিডনি ও হৃদরোগের পাশাপাশি নতুন করে নিউমোনিয়ার চিকিৎসাও চলছে।
তার চিকিৎসা তদারকির জন্য দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এ বোর্ডের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন ডা. জুবাইদা রহমানও।
এলএনডি/এমআর






