নিজের চাওয়াতে নয় বরং জনগণের চাওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হয়েছেন বলে জানালেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মালয়েশিয়ার জাতীয় সংবাদমাধ্যম বারনামাকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “এটা আমার নিজের চাওয়া নয়, বরং সেইসব মানুষের দাবি, যারা পরিবর্তন চেয়েছেন। তারা যেমনভাবে এগোতে চান, আমি শুধু তাদের সেই পথ সহজ করার চেষ্টা করছি।”
ড. ইউনূস স্বীকার করেন, পরিস্থিতি তাকে খুব বেশি বিকল্পের সুযোগ দেয়নি। একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং গণতন্ত্রের অভিভাবকের ভূমিকাতেই তিনি নিজেকে দেখতে চান বলে মন্তব্য করেন।
বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়েও অকপটভাবে কথা বলেন তিনি। তার মতে, “এখানে বাধা অনেক। নানা পক্ষ এটিকে ভিন্ন দিকে নিতে চায়। বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে গিয়েও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায়, তারা এ প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।”
গত দেড় দশকে যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, অথচ কখনো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি—তাদের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “অনেকে ১০ বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন, কেউ আবার ১৫ বছর। কল্পনা করুন, ১৮ বছর বয়সে আপনি প্রথমবার ভোট দিতে চান, কিন্তু সেই সুযোগ পান না। প্রকৃত অর্থে নির্বাচন না হওয়ায় তারা বহু বছর ধরে ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত।”
এলএনডি/এমআর






