কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বসতঘরে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় গুরুতর আহত দুইজনকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বিরাহীমপুর এলাকায় মোঃ মোস্তফার মালিকানাধীন আমগাছ থেকে আম পাড়েন একই বাড়ির বিবাদীপক্ষ নুর মোহাম্মদ রবিন, নুর আলমসহ আরও কয়েকজন। এসময় মোস্তফার ছেলে শাহাদাত হোসেন বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়।
পরে ঘটনার জের ধরে রাত ৮টার দিকে মোস্তফা ও তার ছেলে শাহাদাত বাড়িতে অনুপস্থিত থাকার সুযোগে নুর মোহাম্মদ রবিন, নুর আলম, মোমেনা খাতুনসহ আরও ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্র, লাঠি, রড ও হকস্টিক নিয়ে মোস্তফার বসতঘরে হামলা চালায়। তারা ঘরের বৈদ্যুতিক মিটার, আসবাবপত্র, টিনের চালা ও বেড়া ভাংচুর ও ক্ষতিসাধন করে। এতে আনুমানিক ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়।
হামলার সময় বাধা দিতে এলে মোস্তফার স্ত্রী সখিনা খাতুন (৫০) ও পুত্রবধূ শারমিন আক্তার (১৯)কে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করা হয় এবং তাদের গলার সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয়, যার মূল্য আনুমানিক ২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মোঃ মোস্তফা বাদী হয়ে নুর মোহাম্মদ রবিন (২১), নুর আলম (৩৮), মোমেনা খাতুন (৫০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে শুক্রবার রাতেই কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে নুর মোহাম্মদ রবিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, “মোঃ মোস্তফা বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করি। অভিযুক্তরা আমাদের যাওয়ার আগেই পালিয়ে যায়। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”






